“কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মাদকাসক্ত করে রাখা হচ্ছে,” অভিযোগ প্রদেশ নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের

কলকাতা ডেস্ক,

কলকাতা, মঙ্গলবার,

বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বচনের ফুল বেঞ্চ কলকাতায় এসে এই কথা জানিয়েছিল। কিন্তু, প্রদেশ নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন,

আমার দেখেছি যত দফা বাড়ছে ফোর্স তত বাড়ছে। কিন্তু তাদের আকেজ করে রাখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভুল পথে চালিত করছে। তাদের কাঠের পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।

প্রদীপ ভট্টাচার্য নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রশ্ন করেছেন,

কেন্দ্রীয় বাহিনী কি অ্যাক্টিভ রোল প্লে করবে ? নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করছে স্টেট পুলিশ। আপনাদের হাতে কি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার অধিকার আছে?

চতুর্থ দফার পর দেখা গেছে হিংসা বাড়ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হচ্ছে না।

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে খাইয়ে দাইয়ে রেখে দিছে শাসক দল

কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, আমার কমিশনের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছি। যার মাধ্যমে নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করা সম্ভব।

এক নজরে কংগ্রেসের দাবি,

যারা স্পেশাল পুলিশ অবজারভার তাদের হাতে আরও ক্ষমতা দিন

স্পর্শকাতর বুথের তালিকা তৈরী করার আগে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলা হোক, তারপর সেটা নিয়ে আলোচনা হোক জেলা শাসক, জেলা পুলিশের সঙ্গে

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরাকে চিঠী পাঠিয়েছে কংগ্রেস। সেখানে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। দরকার হলে দিল্লিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবো বলে জানিয়েছেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এই বিষয় জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন প্রদেশ নেতৃত্ব।

পাশাপশি প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে প্রদীপ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন,

রাজনৈতিক দল ভাঙার ক্ষেত্রে মাস্টার ছিলেন মুকুল রায়। এক সময় কংগ্রেস ভাঙার কাজ করতেন তিনি। কিন্তু এখন সেই কথা শোনা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর গলায়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেও দলভাঙার কাজে যুক্ত। যদি এই ভাবে দল ভাঙার কাজ করা হয় তাহলে অ্যান্টি ডিফেকশন ল কি কারণে নিয়ে আসা হয়েছিল।

Be the first to comment on "“কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মাদকাসক্ত করে রাখা হচ্ছে,” অভিযোগ প্রদেশ নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*


Skip to toolbar